Home / অনলাইনে সেবার আবেদন / অনলাইনের মাধ্যমে ই-টিন সার্টিফিকেট তৈরী করুন

অনলাইনের মাধ্যমে ই-টিন সার্টিফিকেট তৈরী করুন

করদাতা হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন করদাতা হিসাবে (e-TIN) রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে। এ পদ্ধতিতে কয়েকটি সহজ ধাপ পেরোনেরার মাধ্যমে আপনি পেতে পারিন ১২ ডিজিটের একটি নতুন টিআইএন।

সরকারি সব সেবা ডিজিটাল করার পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার, তারই অংশ হিসেবে পুরনো টিন সার্টিফিকেট (Tin Certificate) কে আধুনিক করে অনলাইন ই-টিন সার্টিফিকেটে রূপান্তর করা হয়েছে। এই বছরের মধ্যে সকলকে বাধ্যতামূলক ই-টিন সার্টিফিকেট নিতে হবে। কোন ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই মাত্র ১৫ মিনিটে নিজেই ঘরে বসে অনলাইনে এই সার্টিফিকেটটি নিয়ে নিতে পারেন।

কিভাবে ই-টিন সার্টিফিকেট তৈরী করবেন?

ই-টিন সার্টিফিকেট

ই-টিন সার্টিফিকেট নিবন্ধনের জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুনঃ-

প্রথমে যে কোন ব্রাউজার থেকে নিচের লিঙ্ক এ প্রবেশ করুন।

https://secure.incometax.gov.bd/Registration/Index

ওয়েব সাইট ওপেন হলে “রেজিস্ট্রার” বাটনে ক্লিক করুন।

আপনার পছন্দ মত ইউসার আইডি, পাসওয়ার্ড, নিরাপত্তা প্রশ্ন, ইমেইল ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার দিয়ে নিচের রেজিস্ট্রার বাটনে ক্লিক করুন।

তারপর আপনার দেওয়া ফরমে প্রদানকৃত আপনার মুঠোফোন নম্বরে তাৎক্ষনিকভাবে একটি কোর্ড পৌছে যাবে।

পর্দায় প্রদর্শিত ডায়ালগ বক্সে মুঠোফোনে প্রেরণকৃত কোডটি প্রদান করুন।

এরপর Register বাটনে ক্লিক করলেই পর্দায় দেখতে পাবেন।

“Welcome to Taxpayer’s Identification Number (TIN) Registration/Re- Registration”

তারপর আপনি একটি লেখা দেখতে পাবেন For TIN registration/re-registration, click here এই অংশে ক্লিক করুন। এখানে আপনার সকল জরুরী তথ্য দিয়ে NEXT বাটনে এ ক্লিক করুন। করদাতার ধরন অংশে আপনি ব্যক্তি/ প্রবাসী বা কোম্পানি- যা আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য তা নির্বাচন করুন। যদি আপনি পূর্বে টিন সার্টিফিকেট না করে থাকেন মানে যদি নতুন হন, তবে New registration নির্বাচন করুন, আর যাদি আপনার আগে টিন সার্টিফিকেট ছিল এমন হয় তবে Re-registration অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর পুরনো টিন নম্বর লিখে পরের পাতায় যেতে হবে আপনাকে। এবার আপনার আয় সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য যেমনঃ পেশা, আয়ের উৎস, স্থান দিয়ে পরবর্তী পাতায় যেতে হবে।

এরপর আপনার ব্যক্তিগত সব তথ্য যেমনঃ নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে) ইত্যাদি প্রযোজ্য বিষয় গুলো সঠিক ভাবে দিয়ে কনফার্ম করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার ই- টিন প্রস্তুত হয়ে যাবে।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দেওয়ার সাথে সাথে ছবি সহ সব তথ্য যাচাই হয়ে যায় স্বয়ংক্রিয় ভাবে। আপনার ই-টিন সার্টিফিকেট তৎক্ষণাৎ প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। অথবা পিডিএফ আকারে সংরক্ষণ করেও রাখতে পারবেন, পরে যেকোন সময় প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

আয়কর প্রদান, রিটার্ন দাখিল ও আয়কর আইন সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে সরাসরি যে কোন পর্যায়ের কর কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সহযোগিতা করবেন।

Helpline: 09611-777111 or 333

 

নোটঃ-

১. আয়করযোগ্য আয় না হলে আপনাকে বছরে কোন টাকা প্রদান করতে হবে না কিন্তু আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

২. আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। (আয়কর যোগ্য আয় না হলেও, তা না হলে আয়কর কর্মকর্তার আপনার বিরুদ্ধে জরিমানা করবে।)

৩. আয়কর প্রদান, রিটার্ন দাখিল ও আয়কর আইন সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে সরাসরি যে কোন পর্যায়ের কর কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সহযোগিতা করবেন।

৪. ই-টিন সার্টিফিকেট সংক্রান্ত কোন সমস্যা যেমন- পাসওয়ার্ড, ইউজার আইডি ভুলে গেলে হেল্প লাইন ব্যবহার করে পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।

 

Check Also

ICT-Bank-job-itpagol

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর

বিসিএস প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয় জানতে হয়। সেক্ষেত্রে অাই সি ...

Leave a Reply